বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। সারা রাত ধরে উদ্ধারকাজ চলে। উদ্ধারকাজে অংশ নেন রেল পুলিশ, রাজ্য পুলিশ, এনডিআরএফসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। আজ শুক্রবার দুপুরে উদ্ধারকাজ শেষ হয়। এখন রেললাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চলছে।

জলপাইগুড়ির জেলা প্রশাসক জানান, এই দুর্ঘটনায় মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৭ জন। গুরুতর আহত ১৫ জন। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের জলপাইগুড়ি স্পেশালিটি হাসপাতাল, ময়নাগুড়ি হাসপাতাল ও উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫ লাখ রুপি, গুরুতর আহত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ১ লাখ রুপি ও সামান্য আহত প্রত্যেককে ২৫ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে রেল মন্ত্রণালয়।

আজ সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সুচিকিৎসার জন্য নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তেরও নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী।

বিজেপির সাংসদ রূপা গাঙ্গুলী এই দুর্ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্তের দাবি করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্ঘটনার খবর শুনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মমতার সঙ্গে কথা বলে দুর্ঘটনার খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

রেল কর্তৃপক্ষ এই দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু বলতে পারেনি। তবে কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ইঞ্জিনে ত্রুটি বা লাইনে ফাটল ধরা এই দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
দুর্ঘটনার পেছনে অন্তর্ঘাতমূলক কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্রেনটি বিহারের রাজধানী পাটনা থেকে আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দুর্ঘটনায় ট্রেনের ১২টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন