বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জলপাইগুড়ির জেলা প্রশাসক বলেছেন, এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই দুর্ঘটনায় বহু যাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। আহত ১৬ যাত্রীকে জলপাইগুড়ি ও ময়নাগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রেনটি ছাড়ার সময় ৭০০ যাত্রী ছিলেন।

default-image

ইতিমধ্যে গ্যাসকাটার দিয়ে ট্রেনের বগি কেটে যাত্রীদের উদ্ধার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলীপুর দুয়ার থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। ৫২টি অ্যাম্বুলেস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্ধকার নেমে আসায় জেনারেটরের মাধ্যমে আলো জ্বালিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে।

পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা একলব্য চক্রবর্তী বলেছেন, এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মতো উদ্ধারকাজ চলছে। ইতিমধ্যে ট্রেন থেকে ৪০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। রেল মন্ত্রণালয় প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৫ লাখ রুপি, গুরুতর আহত ব্যক্তির পরিবারকে ১ লাখ ও সামান্য আহত ব্যক্তিকে ২৫ হাজার রুপি আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

default-image

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশকে উদ্ধারকাজে সার্বিক সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন