default-image

পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র অভিনেতা ও তৃণমূলের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ওরফে দীপক চক্রবর্তী দল ছেড়ে যেতে চান। এ ব্যাপারে তিনি তৃণমূলের প্রধান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন পাঠিয়েছেন।

চিরঞ্জিত এ নিয়ে সাংবাদিকদের আজ বুধবার বলেছেন, তিনি রাজনৈতিক জগতের মানুষ নন। তাই তিনি এবার রাজনীতির জগৎ ছেড়ে চলে যেতে চান নিজের জগতে। তিনি এ কথাও বলেছেন, তিনি যেহেতু রাজনৈতিক জগতের মানুষ নন, সেহেতু তাঁর আর অন্য দলে যোগ দেওয়ার কারণ নেই। তিনি রাজনীতি ছেড়ে এবার নিজের পুরোনো জগতে ফিরে যাবেন। তাই তিনি দলনেত্রীর কাছে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন।

চিরঞ্জিত এখন বারাসাত বিধানসভা আসনের তৃণমূলের বিধায়ক বা এমএলএ। ২০১১ সালে প্রথম এই বারাসাত কেন্দ্র থেকে তিনি তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হন। ২০১৬ সালের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি একই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক হন।

বিজ্ঞাপন

আজ চিরঞ্জিত বলেন, ‘সেদিন দলনেত্রীর অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের সরকার গড়ার লক্ষ্যে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। আমি নেত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে জয়ীও হয়েছিলাম। এখন তৃণমূল আর সেদিনের অবস্থায় নেই। অনেক বড় দল হয়েছে। তাই আমি আর রাজনীতিতে জড়িয়ে থাকতে চাইছি না। চাইছি আমার চিরদিনের সেই আপন ভুবনে যেতে। বয়স তো আমার কম হলো না।’

চিরঞ্জিতের বয়স এখন ৬৬ বছর। এই প্রখ্যাত অভিনেতা ইতিমধ্যে সাতটি চলচ্চিত্রও পরিচালনা করেছেন। অভিনয় করেছেন ১২৬টি চলচ্চিত্রে। পেয়েছেন অভিয়ের জন্য বহু পুরস্কারও।

চিরঞ্জিত এমন সময় দল থেকে অব্যাহতি চাইলেন যখন তৃণমূলে ভাঙন শুরু হয়েছে। দলবদলের খেলা চলছে। এই ভাঙনের মধ্যে চিরঞ্জিতের দল থেকে অব্যাহতি চাওয়ার ব্যাপারটিকে সুনজরে নেয়নি অনেক রাজনীতিক। এর আগে তৃণমূলের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল–সমর্থক অভিনেতা ইন্দ্রনীলও সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন