ত্রিপুরায় কংগ্রেস–বিজেপি ব্যাপক সংঘর্ষ

সংঘর্ষের সময়ে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গতকাল রোববার আগরতলায়
ছবি: এএনআই

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে গতকাল রোববার চারটি উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর গত ২৪ ঘণ্টায় আগরতলায় কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে কংগ্রেস ও বিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এদিকে সংঘাতের জন্য বিজেপিকে দায়ী করছে কংগ্রেস। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সহিংসতার জন্য বিজেপি কংগ্রেসকেই দায়ী করেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আগরতলা শহর-সংলগ্ন অঞ্চলে জমায়েত ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহত কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিৎ সিংহ। তাঁর মাথায় ইটের আঘাত লেগেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মীও আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। দুই দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়।

বিজেপির দাবি, কংগ্রেস-সমর্থিত একটি দল তাদের যুব মোর্চার কর্মীদের ওপর আক্রমণের পর সংঘর্ষ শুরু হয়।

ওই রাজ্যের আইনমন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, নির্বাচনের ফল বিরোধীদের বিপক্ষে গেছে, তাই তারা শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য ষড়যন্ত্র করেছে। সে কারণেই এই সংঘর্ষ হয়েছে। কংগ্রেসের যাঁরা সংঘর্ষে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যথোচিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে আগরতলা আসনে কংগ্রেসের জয়ী এমএলএ সুদীপ রায়বর্মন বলেন, কংগ্রেসের কর্মী ছুরির আঘাতে আহত হওয়ার পরেই এই সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের এক কর্মী গুরুতরভাবে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। সংঘর্ষে আমাদের কর্মীরাই মার খেয়েছেন।’