বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় জয়ী হওয়ার পর ত্রিপুরা দখলের উদ্যোগ নিয়েছেন। ২০২৩ সালে ত্রিপুরার বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে ২৫ নভেম্বর আগরতলা পৌর করপোরেশনসহ ১৯টি পৌরসভা এবং নগর পঞ্চায়েতের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফলাফল ঘোষণা হবে ২৮ নভেম্বর। সেই নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা নেতাদের প্রচারে কাজে লাগিয়েছেন।

ত্রিপুরায় প্রচারে নেমেছেন তৃণমূলের রাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন, বিধায়ক আমিরুল ইসলাম, প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতীম রায়, বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, বিধায়ক খোকন দাস, বিধায়ক অরিন্দম গুঁই, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি, তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি’র রাজ্য সভাপতি অভিজিৎ ঘটক, বিধায়ক নারায়ন গোস্বামী, আলিপুরদুয়ারের তৃণমূলের জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা প্রমুখ। এ ছাড়াও ত্রিপুরার পৌর নির্বাচনে প্রচারে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে এই রাজ্যে অনুষ্ঠিত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি ৯৬ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল।

ত্রিপুরা রাজ্যের নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, ১৯টি পৌরসভার ৩৩৪ ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। প্রধান বিরোধী দল বামফ্রন্ট প্রার্থী দিয়েছে ২২৭টি আসনে। এর মধ্যে একমাত্র সিপিএম পার্টির ২১৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। তৃণমূল দিতে পেরেছে ১২৫টি ওয়ার্ডে প্রার্থী। তার মধ্যে অবশ্য আগরতলা পৌর করপোরেশনের ৫১টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিতে পেরেছে তৃণমূল এবং বিজেপি। কংগ্রেসও ১০১টি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছে। গত শুক্রবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর দেখা গেছে ৩৩৪টি আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে ৮২১ জন প্রার্থীর। বাতিল হয়েছে ৮ টি।

আগামী ডিসেম্বর মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজে ত্রিপুরায় যাবেন। এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের নেতারা ত্রিপুরা রাজ্য সফর করেছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন