বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ত্রিপুরা রাজ্যের নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, আগরতলা পৌর করপোরেশনসহ ২০টি পৌরসভার ৩৩৪ ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। প্রধান বিরোধী দল বামফ্রন্ট প্রার্থী দিয়েছে ২২৭ আসনে। এর মধ্যে সিপিএমের ২১৪ প্রার্থী রয়েছেন। তৃণমূল ১২৫টি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে আগরতলা পৌর করপোরেশনের ৫১টি ওয়ার্ড রয়েছে। ত্রিপুরায় সাংগঠনিকভাবে দুর্বল থাকা কংগ্রেস ১০১টি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছে।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা আগরতলাসহ অধিকাংশ পৌরসভায় প্রার্থী দিতে পেরেছি। তবে বিজেপির সন্ত্রাসের কারণে রাজ্যের চার মন্ত্রীর বিধানসভা এলাকার পাঁচটি পৌর পরিষদ ও দুটি নগর পঞ্চায়েতে কোনো প্রার্থী দিতে পারিনি। প্রাণনাশ ও সম্পত্তি বিনষ্টের হুমকির কারণে আমরা সেখানে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ঝুঁকি নিতে পারিনি।’

বিজেপির বিরুদ্ধে একই অভিযোগ এনেছেন তৃণমূলের ত্রিপুরা রাজ্য স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক সুবল ভৌমিক, তৃণমূলের সাবেক রাজ্য সভাপতি আশিস লাল সিং ও রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি বীরজিৎ সিংহ।

সুবল ভৌমিক বলেন, বিরোধীরা যাতে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারেন, সে জন্য খোয়াই, উদয়পুর, বিলোনিয়া ও সাব্রুমে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর ঘেরাও করে রেখেছিল বিজেপি।

রাজ্য বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী অবশ্য বিরোধীদের এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন। তিনি বলেন, প্রার্থী খুঁজে না পেয়ে এখন সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সন্ত্রাসই যদি হয়, তবে বাকি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে কীভাবে তারা প্রার্থী দিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ও উপনির্বাচনে বিপুল জয়ের পর ত্রিপুরা দখলের উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ডিসেম্বরে সাংগঠনিক সফরে ত্রিপুরায় যাবেন তিনি। ত্রিপুরায় তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে দলটির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্য নেতারা ইতিমধ্যে রাজ্যটি সফর করেছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন