কিছু কিছু অঞ্চলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও ব্যাঘাত ঘটছে। জুন ও জুলাইয়ে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

তাপপ্রবাহের কারণে কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকার স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে, নয়তো ক্লাসের সময় কমিয়ে দিয়েছে। বিহারে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে স্কুলের পাঠদান শেষ করতে বলা হয়েছে। দিনের মধ্যভাগের পর বাইরে অবস্থান না করতে জনসাধারণের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের আবহাওয়া বিভাগ পরবর্তী পাঁচ দিনের জন্য ভারতের মধ্যাঞ্চল ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে কমলা সতর্কতা জারি করেছে। আগামী মাসের শুরুর দিকে তাপপ্রবাহ আরও ছড়াতে পারে। এর মানে হলো, আরও বেশ কিছুদিন মানুষকে ভয়াবহ তাপমাত্রার মধ্যে দিন কাটাতে হবে। সঙ্গে তাদের বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকার সময়টাও বাড়বে।

ভারতে এপ্রিল ও মে মাসে হালকা গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এতে তাপমাত্রা কমে এবং বৃষ্টির পানিতে নোংরা ধূলিকণাগুলো ধুয়ে যায়।

ভারতে ২০১০ সাল থেকে তাপপ্রবাহের কারণে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রায়ই তাপপ্রবাহ দেখা যাচ্ছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন