default-image

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতজুড়ে অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে ২৮ দিনের ব্যবধানে টিকাটির দুই ডোজ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তবে এই সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তারা বলছে, ২৮ দিনের পরিবর্তে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের ব্যবধানে টিকার দুই ডোজ নিলে সর্বোচ্চ সুরক্ষা মিলবে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আজ সোমবার রাজ্যগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে কোভিশিল্ড টিকার দুই ডোজের প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান বাড়িয়ে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি ও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইরত সম্মুখসারির যোদ্ধাদের ওপর ভারতজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যেই টিকাটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে উল্লিখিত সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানাল ভারত সরকার।

বিজ্ঞাপন

চিঠিতে বলা হয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর এই নির্দেশনা শুধু সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করা কোভিশিল্ড টিকার ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। ভারত বায়োটেকের টিকা কোভ্যাকসিনের দুটি ডোজ আগের সময়সীমা মেনে প্রয়োগ করা যাবে।

ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনিজেশন (এনটিএজিআই) ও ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ফর কোভিড–১৯—এই দুই জায়গার বিশেষজ্ঞদের সুপারিশের ভিত্তিতে কোভিশিল্ড টিকা প্রয়োগের মধ্যের ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে বলে চিঠিতে জানিয়েছে সরকার।

কোভিশিল্ড টিকাটির উদ্ভাবক যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ব্রিটিশ–সুইডিশ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা। টিকাটি বাণিজ্যিকভাবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদন করার অনুমতি পেয়েছে। সেরাম ইনস্টিটিউট বিশ্বের বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদন করা কোভিশিল্ড টিকাটি বাংলাদেশেও ব্যবহার হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন