বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, তিন দিক ফাঁকা রেখে মণ্ডপ তৈরি করতে হবে। আলাদা থাকবে মণ্ডপে ঢোকার ও বের হওয়ার পথ। ছোট পরিসরে প্রতিটি মণ্ডপে অঞ্জলি, সিঁদুর খেলা ও প্রসাদ বিতরণ করা যাবে। তবে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির লোকজনসহ সবাইকে দূরত্ববিধি মানতে হবে। এ জন্য হাত জীবাণুমুক্তকরণ ও মাস্ক প্রদানের ব্যবস্থা করবে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মণ্ডপের আশপাশে মেলা বা কোনো প্রদর্শনীর আয়োজন করা যাবে না।

পূজার অঞ্জলি দিতে চাইলে নিজেকেই ফুল ও বেলপাতা নিয়ে আসতে হবে। ভার্চ্যুয়ালি পূজার উদ্বোধনে জোর দেওয়া হবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে রাখতে হবে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক। পূজার দায়িত্বে থাকা পুরোহিতের সামনে মাইক্রোফোন রাখতে হবে, যাতে তাঁর মন্ত্র উচারণ দূর থেকে শোনা যায়। আর এ সময় কাউকে পুরোহিতের কাছে আসতে দেওয়া যাবে না। নির্দেশনা মেনে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে। ভিড় করা যাবে না।

এদিকে রাজ্য সরকার কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজার আয়োজক ক্লাবগুলোকে ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বছর পশ্চিমবঙ্গে ৪০ হাজার পূজামণ্ডপ হবে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন