default-image

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, করোনা রোগী বাড়ার অন্যতম কারণ দূষণ। তিনি আশা করছেন আগামী ৭–১০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

দিল্লিবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘করোনা রোগী বৃদ্ধির পরিমাণ নিয়ে যদিও আমি উদ্বিগ্ন, আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছি। আশা করছি ৭–১০ দিনের মধ্যে এ সংখ্যা কমে আসবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

আজ শুক্রবার এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার দিল্লিতে রেকর্ডসংখ্যক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ সংখ্যা ১০৪। আর করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৭ হাজার ৫৩ জনের।

রাজ্যটিতে এখন করোনার তৃতীয় ঢেউ চলছে। অনেক হাসপাতালই জানিয়েছে তাদের ইনটেনসিভ কেয়ার শয্যা খালি নেই। এমনকি সাধারণ শয্যাও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সংক্রমণ বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ হলো দূষণ। দিল্লিতে এত দিন করোনা রোগী বাড়লেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখা গিয়েছিল কিন্তু দূষণ বাড়ার পর তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লিকে শীতকালে প্রতিদিন ১৫ হাজার রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার মতো প্রস্তুতি নিতে বলেছে। যানবাহন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের কালো ধোঁয়ার পাশাপাশি প্রতিবছর দিল্লির বায়ু দূষণের অন্যতম দুটি কারণ হলো পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসল কাটার পর জমিতে আগুন দেওয়া ও উৎসবে মাত্রাতিরিক্ত আতশবাজি ফোটানো।

এই দূষণ রোধে গবেষকদের কার্যকর সমাধানের কথা উল্লেখ করে কেজরিওয়াল বলেন, খড়কুটো পোড়ানোর কারণে ১০-১২ বছর ধরে উত্তর ভারতে দূষণ বাড়ছে। গণমাধ্যম শুধু দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ করে কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় কৃষকদের।

রাজ্যটিতে এখন করোনার তৃতীয় ঢেউ চলছে। অনেক হাসপাতালই জানিয়েছে তাদের ইনটেনসিভ কেয়ার শয্যা খালি নেই। এমনকি সাধারণ শয্যাও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

খ্যমন্ত্রী বলেন, দিল্লির পিইউএসএ ইনস্টিটিউট টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা রাসায়নিক মিশ্রণ তৈরি করছেন। এটি যখন ফসলের মাঠে খড়ের ওপর ঢেলে দেওয়া হবে, তা তিন-চার সপ্তাহের মধ্যে সারে পরিণত হবে। তাই খড়কুটোতে আগুন দেওয়ার দরকার নেই। এখন সরকারকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই মিশ্রণের ব্যবহার চালু করতে হবে। না হলে বছরের পর বছর এই দূষণ চলতে থাকবে। এ বছরই যেন খড়কুটোর আগুনের কারণে বায়ুদূষণের ঘটনা শেষবার হয়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0