বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল রোববার ফাঁস হওয়া প্যান্ডোরা পেপারসের তথ্য অনুযায়ী, রিলায়েন্স এডিএ গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি ও তাঁর প্রতিনিধিরা জার্সি, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ (বিভিআই) ও সাইপ্রাসে কমপক্ষে ১৮টি অফশোর কোম্পানির মালিক। ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে এগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এর মধ্যে কমপক্ষে ৭টি কোম্পানির ১৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ও ঋণ রয়েছে।

জার্সিতে অনিল আম্বানির মালিকানাধীন তিনটি কোম্পানি রয়েছে। এগুলো হলো ব্যাটিস্টে আনলিমিটেড, রেডিয়াম আনলিমিটেড ও হুই ইনভেস্টমেন্ট আনলিমিটেড, যা ২০০৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে তৈরি হয়।

ব্যাটিস্টে আনলিমিটেড ও রেডিয়াম আনলিমিটেড এডিএ গ্রুপের হোল্ডিং কোম্পানি রিলায়েন্স ইনোভেঞ্চারস প্রাইভেট লিমিটেডের মালিকানাধীন। হুই ইনভেস্টমেন্ট আনলিমিটেড এএএ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মালিকানাধীন, যা রিলায়েন্স ক্যাপিটালের একটি প্রোমোটার কোম্পানি। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জার্সিতে সামারহিল লিমিটেড ও ডুলউইচ লিমিটেড নামে আরও দুটি কোম্পানির মালিক অনিল আম্বানির প্রতিনিধি অনুপ দালাল।

এই অফশোর কোম্পানি এবং লেনদেন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনিল আম্বানির একজন আইনজীবী বলেন, ‘আমার মক্কেল ভারতের একজন করদাতা। আইন মেনে চলার জন্য তিনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুগত। লন্ডন আদালতে তথ্য প্রকাশ করার সময় সব প্রয়োজনীয় বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। রিলায়েন্স গ্রুপ বিশ্বব্যাপী ব্যবসা পরিচালনা করে এবং বৈধ ব্যবসা করে।’

গত বছরের মে মাসে চীনা কোম্পানির ৭১ কোটি ৬০ লাখ ডলার প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলে আদালতে নিজেকে দেউলিয়া বলে ঘোষণা করেছেন ধীরু ভাই আম্বানির ছোট ছেলে অনিল আম্বানি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন