default-image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসন হুগলির সিঙ্গুর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম আসনেই লড়ছেন।

২০০৭ সালে টাটার ন্যানো গাড়ির কারখানার জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলন আর রসায়নশিল্প গড়ার জন্য প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনে সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম উত্তাল হয়ে পড়ে। সে সময় মমতা জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলেন। আর এই আন্দোলনের জেরে ২০১১ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ৩৪ বছরের বাম শাসনের ভরাডুবি হয়। নির্বাচনে জিতে মমতা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন।

বিজ্ঞাপন

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে আগামী ১ এপ্রিল। মমতা ১১ মার্চ পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক শহরে গিয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। তবে নন্দীগ্রাম আসনে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন, তা এখনো ঘোষণা হয়নি। মনে করা হচ্ছে, এই আসনে বিজেপির প্রার্থী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।

এই আসনে এবার নির্বাচনের জন্য আগেভাগেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতায় মমতার গড় হাজরাতে বিজেপির এক রোড শোতে যোগ দিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছিলেন, মমতা নন্দীগ্রামে দাঁড়ালে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দেবেন। মমতা শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করে ১৮ জানুয়ারি এই নন্দীগ্রামের তেখালির এক জনসভায় ঘোষণা দিয়েছিলেন, এখানকার মানুষ চাইলে তিনি নন্দীগ্রাম আসনে লড়বেন। নন্দীগ্রাম তাঁর মেজ বোন। বড় বোন হলো কলকাতার ভবানীপুর আসনটি। ওই আসনের বিধায়ক হিসেবে তিনি এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদে রয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচনে লড়তে সব সরকারি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের জুট করপোরেশনের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন