বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইন্দু মালহোত্রাকে তদন্তের কাজে সাহায্য করবেন ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনআইএ) পরিচালক, চণ্ডীগড় পুলিশের প্রধান, পাঞ্জাব পুলিশের অতিরিক্ত পরিচালক (নিরাপত্তা) ও পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। তাঁদের দ্রুত তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এই কমিটির বিচার্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে কী করে গাফিলতি ঘটল। তার জন্য দায়ী কারা। এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র ছিল কি না। ভবিষ্যতে এই ধরনের অবাঞ্ছিত ঘটনা এড়ানোর জন্য কী কী করণীয়, তার সুপারিশও করবে কমিটি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, তাঁরা ওই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। একতরফা দোষারোপ নয়।

৫ জানুয়ারি পাঞ্জাব সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিপাকে পড়েন। হেলিকপ্টারে সেখানকার ভাটিন্ডা থেকে ফিরোজপুরে যেতে না পেরে তিনি ১১১ কিলোমিটার পথ গাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু কৃষক আন্দোলনে সড়ক অবরুদ্ধ হলে ফ্লাইওভারে আটকা পড়ে তাঁর গাড়িবহর। প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথ কী করে অবরুদ্ধ হয়, তা নিয়ে বিজেপি শাসিত কেন্দ্র ও কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাব সরকারের মধ্যে বিবাদ বাধে। চলে একে অন্যকে দোষারোপের পালা। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের এই হস্তক্ষেপ।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন