বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যদিও গ্রেপ্তারের পর ১৭ মে রাতেই জামিন পান ওই চার নেতা। কিন্তু পরে ওই রাতেই সিবিআই জামিন বাতিলের আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট জামিন বাতিল করেন। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ওই চার নেতার জামিন শুনানি হয়। কিন্তু ওই শুনানিতে তাঁরা দুজন ভিন্ন মত দেন। ফলে তাঁদের জামিন ঝুলে যায়।

পরে আরেক শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতকে বলেন, জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে অবিলম্বে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হোক। অন্যথায় তৃতীয় বিচারপতির কাছে পাঠানো হোক মামলাটি।

পরে আদালত পাঁচ সদস্যের নতুন বেঞ্চ গঠন করেন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের নেতৃত্বে নতুন বেঞ্চে স্থান পান বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি সৌমেন সেন। এ বেঞ্চেই শুনানি হয়। কিন্তু এর বিরোধিতা করে সিবিআই। সিবিআইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মামলাটি যায় সুপ্রিম কোর্টে।

কন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই মামলার শুনানি শেষে ২৫ মে তা গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেন কলকাতা হাইকোর্টে। এরপর কলকাতা হাইকোর্ট আজ এ জামিন আদেশ দিলেন।
২০১৬ সালের মার্চে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের ১৩ নেতা-মন্ত্রীর ঘুষ নেওয়ার এক কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৭ সালে মার্চে এ নারদা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। সে মামলায় আসামি করা হয় পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন চার মন্ত্রীসহ সাংসদ, বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতাদের।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন