বিজ্ঞাপন

কারাগারে ঢোকার পর এই চার নেতার মধ্যে তিন নেতা সুব্রত, শোভন এবং মদন মিত্র শারীরিক অসুস্থ বোধ করলে তাঁদের সকালে কলকাতার পিজি হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে ভর্তি করা হয় ফিরহাদ হাকিমকেও।

এইদিকে এই চার নেতার জামিন খারিজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান ওই চার নেতার আইনজীবীরা। আজ এই আবেদনের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।

এদিকে সিবিআইও গতকাল ওই চার নেতার জামিন বাতিলসহ নিরাপত্তার কারণে এই মামলা কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভারতের অন্য কোনো রাজ্যে স্থানান্তর করার আবেদন করে। সেই আবেদনেরও শুনানি হতে পারে আজ বুধবার।

২০১৬ সালের মার্চ মাসের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল নেতামন্ত্রীদের ঘুষ নেওয়ার এক কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়। তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে এই নারদ কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইর হাতে। যদিও ২০১৬ সালে এই নারদ স্টিং অপারেশনের তথ্য ফাঁস হওয়ার পর প্রথম এই মামলাটির তদন্ত ভার গ্রহণ করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।

সেই মামলায় আসামি করা হয় পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন চার মন্ত্রীসহ অন্যান্য তৃণমূল নেতাদের। কিন্তু মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে মামলা চালাতে গেলে রাজ্যপালের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেই লক্ষ্যে সিবিআই রাজ্যপালের কাছে এই মামলা চালানোর জন্য অনুমতি চাইলে দীর্ঘদিন পর অবশেষে রাজ্যপাল এই চার নেতার বিরুদ্ধে মামলা চালানোর অনুমতি দেয়। তৃণমূল বলেছে, সেই অনুমতি বেআইনি। সিবিআই রাজ্য বিধানসভার স্পিকারেরও কোনো অনুমতি নেয়নি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন