নীরব-নিষ্ক্রিয় থাকলে সন্ত্রাসীরা শক্তি পাবে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গতকাল রোববার পাঞ্জাবের অমৃতসরে হার্ট অব এশিয়া সম্মেলনে বলেছেন, সন্ত্রাসীরা সমগ্র এশিয়া অঞ্চলের জন্য বিপদ। তাদের নির্মূল করার ব্যবস্থা নিতে হবে। নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে সন্ত্রাসী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।
১২টির বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ষষ্ঠ হার্ট অব এশিয়া সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। মোদির পাশাপাশি আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পাকিস্তান-ভারত সম্পর্কে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোদি বলেছেন, আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মৌখিক সমর্থনই পর্যাপ্ত নয়। এ ব্যাপারে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।
সম্মেলনের একফাঁকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সারতাজ আজিজ আরও চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে শনিবার নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনার মধ্যে ভারতে সারতাজ আজিজের উপস্থিতিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্মেলনে পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার পরিণামে এই অঞ্চলে সন্ত্রাসী ও তাদের প্রভুরা শক্তিশালী হবে।
হার্ট অব এশিয়া-ইস্তাম্বুল প্রসেসের স্থায়ী সভাপতি আফগান প্রেসিডেন্ট গনি বলেন, পাকিস্তানকে ধন্যবাদ। তারা আফগানিস্তানে পুনর্গঠনকাজের জন্য ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। তবে পাকিস্তানে যদি সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়া হয়, কোনো আর্থিক সহায়তাই কাজে লাগবে না।
এবারের হার্ট অব এশিয়া সম্মেলন গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, আজারবাইজান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, রাশিয়া, সৌদি আরব, তাজিকিস্তান, তুরস্ক, তুর্কমিনিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।