বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে অনুব্রতর গতকালের মন্তব্যের বিষয়ে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ভীতি প্রদর্শন ছাড়া বীরভূমে ভোট হয় না। আগামী দিনেও হবে না। বিলম্বিত বোধোদয় হলেও এটি তৃণমূলের নতুন চাল। তাই ভোটারদের সাবধান হওয়া প্রয়োজন।
এ নিয়ে সিপিএম নেতা ও রাজ্যের সাবেক বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, কোচবিহারের দিনহাটা আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় বিধানসভা উপনির্বাচনে এক লাখের বেশি ভোটে যাদের জিততে হয়, তাদের গা জোয়ারি না করলে কী চলে নাকি? সুজন চক্রবর্তীর প্রশ্ন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে অন্যায় হয়েছিল, সেটা যখন স্বীকার করার কথা ছিল, তখন করেননি কেন?

পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় সরকারের তিনটি কাঠামো রয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়ে গ্রাম পঞ্চায়েত, থানা পর্যায়ে পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পর্যায়ে জেলা পরিষদ। আসন রয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪৮ হাজার ৬৫০, পঞ্চায়েত সমিতির ৯ হাজার ২১৭ এবং জেলা পরিষদের ৮২৫টি।

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এর মধ্যে ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পান তৃণমূল প্রার্থীরা। নির্বাচন হয় অবশিষ্ট ৬৬ শতাংশ আসনে। তবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে সন্ত্রাস, ভোটদানে বাধা ও জাল ভোট দেওয়ার। এসব অভিযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো দ্বারস্থ হয় কলকাতা হাইকোর্ট এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের। তারা দাবি তোলে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী প্রার্থীদের ফলের ওপর স্থগিতাদেশ জারির। সুপ্রিম কোর্টও স্থগিতাদেশ জারি করেন।

পরে অবশ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩৮ হাজার ১১৮, পঞ্চায়েত সমিতিতে ৮ হাজার ৬২ এবং জেলা পরিষদের ৭৯৩টি আসনে জয়ী হয়েছে। আর বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ হাজার ৭৭৯টি, পঞ্চায়েত সমিতির ৭৬৯ এবং জেলা পরিষদের ২২টি আসনে আসনে জয়ী হয়। অন্যদিকে বামফ্রন্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ হাজার ৭১৩টি, পঞ্চায়েত সমিতির ১২৯টি আসনে এবং জেলা পরিষদের ১টি আসনে জয় পায়। আর কংগ্রেস জয় পায় গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ হাজার ৬৬টি, পঞ্চায়েত সমিতির ১৩৩টি এবং জেলা পরিষদের ৬টি আসনে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন