বিজ্ঞাপন

কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আজ সকালে জানিয়েছে, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কলকাতা বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত এই বিমানবন্দরে কোনো বিমান ওঠানামা করবে না। একই ঘোষণা দিয়েছে ওডিশা সরকারও। সেখানকার রাজধানী ভুবনেশ্বরের বিমানবন্দরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ সকালে কলকাতার আলীপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘণ্টায় ১২ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে আসছে ইয়াস। বলা হয়েছে আজ বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ইয়াস আছড়ে পড়বে ওডিশায়। এরপর এগিয়ে আসবে দিঘা-বকখালির দিকে।

আবহাওয়া দপ্তরের প্রধান সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইয়াসের তাণ্ডব এবার সর্বাধিক হবে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, শঙ্করপুর, তাজপুর, মন্দারমণি অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চলে। তবে সেই হিসাবে কলকাতায় এর দাপট অতটা না–ও হতে পারে। এখানে ৬৫ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝড়। ইতিমধ্যে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে গেছে জলোচ্ছ্বাসে। ভেঙে গেছে বাঁধও।

গতকাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সচিবালয় নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ইয়াসকে মোকাবিলা করার জন্য রাজ্য সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ব্লকে ব্লকে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। নবান্নে খোলা হয়েছে প্রধান কন্ট্রোল রুম। খোলা হয়েছে ৪ হাজার ত্রাণকেন্দ্র। ১০ লাখের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইয়াস মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয়েছে ২ লাখ পুলিশ কর্মী ও ৭৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবী। ইয়াসের হাত থেকে রক্ষার জন্য দিঘায় নামানো হয়েছে সেনা, নৌবাহিনীর সদস্যদের। নেমেছেন এনডিআরএফের সদস্যরাও।

এদিকে এই ইয়াসের প্রভাবে গতকাল রাত থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুরা, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দার্জিলিং ও কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন