বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় তৃণমূলের বিধায়ক উদয়ন গুহ নজরদারি এলাকা বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, বিএসএফের অত্যাচারে সীমান্ত এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ, কেউ নিশ্চিন্তে থাকতে পারছে না। বিজেপির বিধায়ক মিহির গোস্বামী বলেন, সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাস, চোরাচালান বন্ধ করতে নজরদারি এলাকা বাড়ানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত সঠিক। নজরদারি এলাকা বাড়ানো এবং বাতিল করা নিয়ে দুই দলের বিধায়কদের তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিজেপির বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ বলে ওঠেন, ‘আপনার দলের একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে আর বাকি পা-টাও ভেঙে দেওয়া হবে।’ উদয়ন গুহর এই বক্তব্যে অশান্ত হয়ে ওঠে বিধানসভার অধিবেশন, শেষমেশ স্পিকার ধমক দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপরে স্পিকারের নির্দেশে ভোটাভুটি হয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের নজরদারির ব্যাপ্তি ছিল ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। গত ১১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেই এলাকা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তাব খারিজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও লেখেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পাশাপাশি নজরদারি এলাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে মেনে নিতে পারেনি পাঞ্জাব সরকারও। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পাঞ্জাবের বিধানসভায় ইতিমধ্যে প্রস্তাব পাস হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন