বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে নিষেধাজ্ঞার এই বর্ধিত মেয়াদে ছাড় দেওয়া হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়ন নিয়ে। ২ জানুয়ারি বলা হয়েছিল, বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবে। সেই সংখ্যা এখন বাড়িয়ে ২০০ করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের জিম, সুইমিংপুল ও সেলুন। বহাল থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ। সরকারি অফিস চলবে ৫০ শতাংশ কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে।

আজ ছাড় দেওয়া হয়েছে মেলা অনুষ্ঠানেও। অনুমতি দেওয়া হয়েছে উন্মুক্ত স্থানে মেলা করার। তবে তা করতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। অন্যদিকে বন্ধ থাকবে রাত ১০টার পর লোকাল ট্রেন।

ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। বলা হয়েছে, করোনাবিধি মেনেই চলতে হবে রাজ্যবাসীকে। পরতে হবে মুখে মাস্ক। মানতে হবে সামাজিক দূরত্ব। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও নার্সিং হোমকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কোভিড নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বর এই রাজ্যে আংশিক লকডাউন শেষ হওয়ার আগেই তা ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছিল সরকার। এই সময়কালে রাতের লকডাউনের মেয়াদ বলবৎ থাকার কথা ছিল ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত। সেই নির্দেশ আজও বহাল রাখা হয়েছে। তবে জরুরি ক্ষেত্রে শিথিল করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাটবাজার, অফিস চলবে করোনাবিধি মেনে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার হাটবাজার, দোকানপাট বিভিন্ন সময়ে পর্যায়ক্রমে বন্ধ রাখা হচ্ছে।

কলকাতাসহ গোটা রাজ্যে কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যুহার দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় সরকার এবার বিধিনিষেধ জোরদার করেছে। তবে রোজই চলছে করোনার নমুনা পরীক্ষা ও টিকাদান কর্মসূচি। আজ কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ বলেছেন, পৌরসভার কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ২৯ থেকে বাড়িয়ে ৪৪ করা হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন