default-image

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার বিজেপির দ্বিতীয় ও তৃতীয় ‘পরিবর্তনযাত্রা’ কর্মসূচির সূচনা হচ্ছে।

বীরভূমের তারাপীঠ থেকে দ্বিতীয় ও ঝাড়গ্রাম থেকে তৃতীয় পরিবর্তনযাত্রা বের হবে। উভয় পরিবর্তনযাত্রার সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

রাজ্যে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্য নিয়ে বিজেপি মাসব্যাপী এই কর্মসূচি দিয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি প্রান্ত থেকে মোট পাঁচ পর্বে এই কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি। আগে এই পরিবর্তনযাত্রার নাম ছিল রথযাত্রা। পরে নাম পাল্টে রাখা হয় পরিবর্তনযাত্রা।

প্রথম পরিবর্তনযাত্রার সূচনা হয় গত শনিবার। এদিন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপ থেকে পরিবর্তনযাত্রার সূচনা করেন জেপি নাড্ডা।

আজ বের হচ্ছে দুটি পরিবর্তনযাত্রা। এর পরের বাকি দুটি পরিবর্তনযাত্রা বের হবে কোচবিহার ও কাকদ্বীপ থেকে।

জেপি নাড্ডা আজ দুপুরে যাবেন তারাপীঠে। তিনি তারাপীঠে মন্দিরে পুজো দেবেন। তারপর যাবেন তারাপীঠের ছিলার মাঠে। সেখানে জনসভা করে যোগ দেবেন দ্বিতীয় পরিবর্তনযাত্রায়।

বিজ্ঞাপন

একই দিন বিকেলে জেপি নাড্ডা যাবেন ঝাড়গ্রামে। সেখানকার ভৈরব মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি যোগ দেবেন জনসভায়। তারপর যোগ দেবেন তৃতীয় পরিবর্তনযাত্রায়।
১১ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ পরিবর্তনযাত্রা বের হবে কোচবিহার থেকে। এই পরিবর্তনযাত্রার সূচনা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

কাকদ্বীপ থেকে বের হবে পঞ্চম ও শেষ পরিবর্তনযাত্রা। শেষ পরিবর্তনযাত্রার সূচনা কে করবেন, তা এখনো ঘোষণা করেনি বিজেপি।

একেকটি পরিবর্তনযাত্রা ৫০ থেকে ৬০টি বিধানসভা কেন্দ্র ছুঁয়ে যাবে। পরিবর্তনযাত্রার বিভিন্ন সময়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা যোগ দেবেন। বিজেপির নেতারা প্রচার চালাবেন। জনসভা করবেন। প্রচারপত্র বিলি করবেন।

পরিবর্তনযাত্রার শেষ দিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির বিশাল জনসভা হবে। সেই জনসভায় উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

আগামী এপ্রিলে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারযুদ্ধ জমে উঠেছে। এই যুদ্ধে প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে দুটি দল। একদিকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন