বিজ্ঞাপন

ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, লোকাল ট্রেন, মেট্রো, বাস পরিষেবা, ফেরি পরিষেবা বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে অটো ও ট্যাক্সি পরিষেবা। সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নয়, এমন সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। পার্ক, চিড়িয়াখানা, অভয়ারণ্য বন্ধ থাকবে। সমস্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। হাটবাজার খোলা রাখা যাবে সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। তবে চালু থাকবে হোম ডেলিভারি, অনলাইন পরিষেবা, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা। খোলা থাকবে ওষুধ এবং চিকিৎসাসামগ্রীর দোকান। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে শপিং মল, রেস্তোরাঁ, বিউটি পারলার, জিম, বার, সুইমিং পুল, স্পা, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, রেস্টুরেন্ট, সিনেমা হল ইত্যাদি। তবে খোলা রাখা হবে হোম ডেলিভারি কার্যক্রম। কিন্তু সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান এবং কোনো জমায়েত করা যাবে না।

লকডাউন চলাকালে কোনো ধর্মীয় জমায়েত করা যাবে না। ব্যাংক সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে এটিএম পরিষেবা খোলা থাকবে ২৪ ঘণ্টা। মিষ্টির দোকান খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে সর্বাধিক ৫০ জন আর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ২০ জন যোগ দিতে পারবে। শাড়ি ও গয়নার দোকান দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এদিকে লকডাউনসংক্রান্ত ঘোষণায় রাজ্য সরকার আরও জানিয়েছে, রাত ৯টার পর থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ যেন রাস্তায় না বের হয়। বের হতে হলে থানা থেকে ই-পাস নিয়ে বের হতে বলা হয়েছে।

default-image

পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে গতকাল রাতে প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানিয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতাসহ এ রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৫১১ জন। মারা গেছেন ১৪৪ জন। এর মধ্যে কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন। মারা গেছেন ৩০ জন। ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ হাজার ২১১ জন।

default-image

এদিকে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে আরও বলা হয়েছে, মূলত রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই এ রাজ্যে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুসংখ্যা বেড়েই চলেছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের তফসিল ঘোষণা করার দিন এ রাজ্যে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ছিল ১৯৯। ২৭ মার্চ প্রথম দফার নির্বাচনের দিন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪৬। গত ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বচনের দিন তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ২৭৪ জন। এভাবে ৬ এপ্রিল তৃতীয় দফার নির্বাচনের দিন তা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬১। ২ মে ভোটর ফল ঘোষণার দিন সেই সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৫১২।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন