default-image

এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন আব্দুল গনি।

আব্দুল গনি মালদহ জেলার সুজাপুরের তৃণমূল প্রার্থী। তিনি ১ লাখ ৩০ হাজার ১৬৩ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী ইশা খান চৌধুরীকে।

নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, আব্দুল গনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৫ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইশা খান পেয়েছেন ২২ হাজার ২৮২ ভোট।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটে জিতেছেন কলকাতার মেটিয়াব্রুজের তৃণমূল প্রার্থী আব্দুল খালেক মোল্লা। তিনি বিজেপির প্রার্থী রামজি প্রসাদকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৬০৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলবদলের একটা হিড়িক পড়েছিল। বিশেষ করে শাসকদল তৃণমূল ছেড়ে একটা অংশ বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। দলবদলকারীদের ধারণা ছিল, রাজ্যে যেভাবে প্রচারে ঝড় তুলেছে বিজেপি, তাতে এই দলের জয় নিশ্চিত। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়া ১০৭ প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জনই পরাজিত হয়েছেন। এই হার ৭১ শতাংশ।

এই ঘটনার পর দলবদলকারীদের ব্যাপারে বিজেপি কড়া অবস্থান নিয়েছে। গতকাল সোমবারই তারা ঘোষণা দিয়েছে, এভাবে হুট করে বিজেপিতে যোগ দিলেই কাউকে আর বড় জায়গা দেওয়া হবে না। বিজেপিতে এসে একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করতে হবে। কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে যোগ্য পদে বসানো হবে।

রাজ্যে এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস-বাম-আইএসএফ দলকে নিয়ে গড়া সংযুক্ত মোর্চা বিধ্বস্ত হয়েছে। এই তিন দলের ৮৫ শতাংশ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ২৯২ আসনের মধ্যে মোর্চা মাত্র ৪২ আসনে জামানত ধরে রাখতে পেরেছে।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে বামফ্রন্টের প্রার্থীরা মাত্র ২১টি আসনে জামানত বাঁচাতে পেরেছেন। কংগ্রেস ১২টি আসনে জামানত ধরে রাখতে পেরেছে। আর আইএসএফ ৯টিতে জামানত বাঁচাতে পেরেছে।

বিজেপিও সব আসনে জামানত রক্ষা করতে পারেনি। তাদের ৩টি আসনে জামানত জব্দ হয়েছে।

৭৭ আসনে জয়ী বিজেপির প্রার্থীদের মধ্যে ১৯ জন মাত্র ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন ১ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন