বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার দীপাবলি উৎসবে নিষেধাজ্ঞা না মেনেই দিল্লিতে আতশবাজি ফোটানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে অন্যান্য কারণের পাশাপাশি বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পেছনে আতশবাজির ধোঁয়ার প্রভাব রয়েছে।

প্রতিবছরই আতশবাজি পোড়ানোর ওপর হয় ভারত সরকার অথবা দেশটির সুপ্রিম কোর্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞা খুব সামান্যই মেনে চলা হয়। আতশবাজি পোড়ানো ছাড়াও বছরের এই সময়ে এসে প্রতিবেশী রাজ্য পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকেরা জমির ফসলের অবশিষ্ট অংশ পুড়িয়ে থাকেন। সব মিলিয়ে দিল্লির বায়ুদূষণ জটিল আকার ধারণ করেছে।

দূষণ নিয়ে ভারতের সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের বিশ্লেষক সুনীল দাহিয়া বলেন, আতশবাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল্লিতে তেমন কাজে আসেনি বলে দেখা যাচ্ছে। বায়ুদূষণের অন্য উৎসের পাশাপাশি আতশবাজি পোড়ানো বিপজ্জনক মাত্রায় দূষণ ডেকে এনেছে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ প্রায়ই ওঠে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে। দেশটিতে মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সবকিছুর মধ্যেই জলবায়ুসংকট নিরসনে চলমান কপ ২৬ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ২০৭০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নির্গমনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে দেশটি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন