বিজ্ঞাপন

এদিন বন বিভাগের একজন রক্ষী আসামের নাগাঁও জেলার সংরক্ষিত বনের প্রত্যন্ত এলাকাটিতে পৌঁছান। সেখানে পাহাড়ের ওপরে ১৪টি হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করেন তিনি। বাকি চারটি পাওয়া যায় পাহাড়ের পাদদেশে।

আজ শুক্রবার আসামের বন ও বন্যপ্রাণী মন্ত্রী পরিমল শুক্লাবৈদ্য জানান, রাজ্য সরকার এ ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক প্রতিবেদনে ধারণা করা হচ্ছে, বজ্রপাতের আঘাতে হাতিগুলো মারা গেছে। এরপরেও আমাদের ফরেনসিক পরীক্ষা করে দেখতে হবে, বিষপ্রয়োগ বা কোনো রোগের কারণে এদের মৃত্যু হয়েছে কী না।’

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গত বুধবার শেষরাতে বজ্রপাত হয় ওই এলাকায়। সেই বজ্রপাতের আঘাতে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে হাতিগুলোর। একজন স্থানীয় বন কর্মকর্তাও একই কথা জানান। বজ্রপাতে ওই এলাকায় কিছু গাছ পুড়ে যেতে দেখেছেন তিনি। তবে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতি না থাকায় ওই বন কর্মকর্তা তাঁর নাম প্রকাশ করতে চাননি।

প্রায় ৩০ হাজার হাতির বাস ভারতে, যার ৬০ শতাংশই এশীয় হাতি। এর মধ্যে আসামে আছে আনুমানিক ৬ হাজার। খাবারের খোঁজে প্রায়ই এসব হাতি বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে চলে আসে। এরা ফসল ক্ষতি করে, এমনকি মানুষও মেরে ফেলে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন