বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বলেন, ‘আমাদের সৌজন্যকে আমাদের দুর্বলতা ভাবার কোনো কারণ নেই। এবার অনুমতি দেওয়া না হলে আমরা আদালতে যাব।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে আইন অমান্য করেই তাঁরা আগরতলায় সভা করবেন। কুনাল বলেন, ‘এইভাবে জোর করে দিনের পর দিন সভা করা আটকানো যায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা ওই দিন করবেনই। কীভাবে করা হবে, তা শীর্ষ নেতৃত্ব কথা বলে স্থির করবেন। বুধবার অন্য একটি রাজনৈতিক দলের পদযাত্রা ও গণসংযোগ আছে বলে তৃণমূল কংগ্রেসকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ আজ কিন্তু শহরে কোনো দল কোথাও কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে না।’

মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর কেন্দ্রের বিজেপি এতটাই আস্থা হারিয়েছে যে তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রে ৩০ সেপ্টেম্বরের উপনির্বাচনের আগে প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে না বিজেপি। কুনাল বলেন, ‘এটা অবাক কাণ্ড। বিজেপির একমাত্র বাঙালি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ভবানীপুরে প্রচারের জন্য সারা দেশ থেকে নেতা-নেত্রী তারা আনছে, কিন্তু বাঙালিপ্রধান পশ্চিমবঙ্গে আরেকটি বাঙালিপ্রধান রাজ্য ত্রিপুরার বাঙালি মুখ্যমন্ত্রীকে তারা প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে না। এর কারণ, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি এতটাই খারাপ যে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে গেলে ভোটের ওপর আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে যেমনটা হয়েছিল, তেমনই ত্রিপুরায় দলবদল শুরু হয়েছে। এই দিন সিপিআইএমের (কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া মার্ক্সিস্ট) রাজ্যস্তরের নামকরা কিন্তু স্থানীয় নেতা নন্দলাল দে দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। সঞ্জীব দেব নামে আরও এক স্থানীয় নেতাও সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে আসেন। বেশ কয়েকজন বিজেপি ও কংগ্রেস নেতাসহ প্রায় ৫০ জন অন্য দলের সমর্থকও যোগ দেন তৃণমূলে। গতকাল বুধবার সিপিআইএম থেকে কিছু ছোটখাটো নেতা, কর্মী ও সমর্থকও বিজেপিতে যোগ দেন।

ত্রিপুরার সিপাহীজ্বালা জেলার সোনামুড়ায় কামাল হোসেন নামের এক যুবককে গত রাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, পুলিশ কামাল হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম—দুই দলই ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন