বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর ত্রিপুরা ও গোয়ার দিকে নজর দিয়েছেন। ৪০ আসনের গোয়া বিধানসভা নির্বাচন আগামী বছরের প্রথম দিকে আর ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন আগামী ২০২৩ সালের প্রথম দিকে। এ রাজ্যের আসনসংখ্যা ৬০। রাজ্য দুটির ক্ষমতায় এখন বিজেপি। তবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে বিজেপিকে হটিয়ে জয় পেতে চায় তৃণমূল। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে দলটির নেতারা রাজ্য দুটিতে ছুটছেন। শুরু করেছেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।

তৃণমূল নেতারা ত্রিপুরা চষে বেড়ালেও মমতা ত্রিপুরায় যাবেন আগামী মাসে। তবে এরই মধ্যে তিনি তিন দিনের সফরে গোয়া ঘুরে এসেছেন। সফরে গত বুধবার এক জনসভায় তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘বিজেপির আজ শক্তিবৃদ্ধির কারণ কংগ্রেস। কংগ্রেসের জন্যই আজ বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। কংগ্রেসের জন্যই বিজেপির জনপ্রিয়তা বাড়বে। কংগ্রেস হলো বিজেপির টিআরপি।’

মমতার এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আজ বিজেপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘কংগ্রেস বিজেপিকে দাঁড় করায়নি, বরং বিজেপি তৃণমূলকে দাঁড় করিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিজেপি বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তাই বিজেপির তৃণমূল বা কংগ্রেসের সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। বিজেপি কর্মীদের ত্যাগ–তিতিক্ষা, লড়াই, আর আন্দোলন আজকে বিজেপিকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলের মর্যাদা এনে দিয়েছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজেপির এই নেতা আরও বলেন, ‘এখন যেমন কংগ্রেস শেষ হয়ে যাচ্ছে, তেমনি বাকি সব পার্টিও শেষ হয়ে যাবে।’ বিজেপি থেকে ফের তৃণমূলে যাওয়া সাবেক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগামী দিনে কেউ মনে রাখবে না।’

গতকাল রোববার ত্রিপুরার আগরতলায় তৃণমূলের রাজনৈতিক মঞ্চে দলটির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় তিনি বলেন, ‘ভুল হয়ে গেছে। ক্ষমা চাইছি। আজ আমি লজ্জিত, অনুতপ্ত।’ মমতাকে ‘ভারতের মা’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তৃণমূল যাতে ভারতের সব রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে, সে জন্য আমি কাজ করে যাব।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন