বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রথমবার গ্রেপ্তারের পর ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি এক বছর জেল খেটে অমিত বসু কারাগার থেকে মুক্তি পেলে আবারও তাঁকে আসামের বিদেশি নাগরিক আইনে গ্রেপ্তার করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে।

২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে অমিত বসু নামের ওই তরুণকে আসাম পুলিশ বদর করিমগঞ্জ জেলার বদরপুর রেলস্টেশনে উদ্‌ভ্রান্তের মতো ঘোরাফেরা করার সময় গ্রেপ্তার করে। এর পরই তাঁকে বাংলাদেশি তকমা লাগিয়ে দেয় পুলিশ। অথচ অমিত বসু আসামের এক বাঙালি পরিবারের সন্তান। তাঁদের আবাসস্থল আসামের রাজধানী গুয়াহাটির লালগণেশ এলাকায়। সেখানেই বাস করেন অমিতের বাবা অরবিন্দ বসু ও মা নীলিমা বসু।

গ্রেপ্তারের পর ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি এক বছর জেল খেটে অমিত বসু কারাগার থেকে মুক্তি পেলে আবারও তাঁকে আসামের বিদেশি নাগরিক আইনে গ্রেপ্তার করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় শিলচর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ডিটেনশন ক্যাম্পে।

এরপর অমিতের বাবা–মা গুয়াহাটি হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ছেলের মুক্তির আবেদন জানান। সম্প্রতি বিচারক তাঁকে মুক্তিদানের নির্দেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার অমিত মুক্তি পান।

এদিকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন আসামের ‘আমরা বাঙালি’ সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সাধন পুরকায়স্থ। তিনি আজ বুধবার সকালে প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘অমিত বসুর প্রায় সাড়ে ছয় বছরের কারাজীবনকে কে ফিরিয়ে দেবে? কে দেবে তাঁর চলার পথের সাড়ে ছয় বছরের দিনগুলোকে?’

সাধন পুরকায়স্থ প্রথম আলোকে আরও বলেন, ‘এভাবে পুলিশ আসামের বাঙালিদের বাংলাদেশি তকমা লাগিয়ে হেনস্তা করছে; গ্রেপ্তার করছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। গুয়াহাটি হাইকোর্টের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা জোর আবেদন করছি, আসামের বাঙালিদের বাংলাদেশি তকমা লাগিয়ে পুলিশের হেনস্তা করার প্রবণতা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন