বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রী চলাচল আরও স্বচ্ছন্দ করতে এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও উন্নত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের ল্যান্ড পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এলপিএআই)।

পেট্রাপোল ইন্টিগ্রেটেড এই চেকপোস্টের নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ও দ্বিতীয় কার্গো গেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মন্ত্রীরা বলেছেন, এই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল উদ্বোধনের ফলে এবার থেকে এখানে আসা উভয় দেশের যাত্রীরা একই ছাতার নিচে সীমান্ত বাণিজ্য ও যাত্রী পরিষেবার সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে দ্বিতীয় কার্গো গেটের উদ্বোধনের ফলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এখন থেকে দুই গেট থেকে চলবে।

আগে এই আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য একটি গেট দিয়ে চলত।
বাংলাদেশের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও আধুনিক ও উন্নত করার লক্ষ্যে এ ধরনের প্রকল্প নেব, যাতে বাণিজ্য কার্যক্রম আরও উন্নত হওয়ার পাশাপাশি এখানে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য আরও বাড়ে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইপিএআইয়ের চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র, বাংলাদেশের ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মো. আলমগীর, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসানসহ অন্য অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে দুই দেশের মন্ত্রীরা আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের এই দিনে এই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন এবং কার্গো গেটের উদ্বোধন ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন