বিজ্ঞাপন

মমতা প্রশ্ন করেন, ‘করোনা যদি এতই কমে থাকে, তবে কেন এখনো এত মৃত্যু হচ্ছে দেশে? কেন রেমডিসিভির ওষুধ বাজারে নেই? কেন গঙ্গার পানিতে উত্তর প্রদেশের লাশ ভেসে আসছে? কেন তিনি অক্সিজেন নিয়ে কথা বললেন না?’

বৈঠক প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘আমরা মুখ্যমন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর এই ভূমিকায় অপমানিত বোধ করেছি। কেননা, প্রধানমন্ত্রী করোনা রোধে রাজ্যের ওষুধ ও টিকা নিয়ে কিছু জানতে চাননি। মতবিনিময় করেননি।’

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, ‘আমাদের যখন বলতে দেওয়া হবে না তখন ডাকল কেন? এভাবে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ডেকে অপমানই করলেন। এখন প্রধানমন্ত্রী মুখ লুকোচ্ছেন। আজ ১৮ বছরের ছেলেমেয়েরা মরছে, তখন উনি বিল্ডিং আর স্ট্যাচু বানাচ্ছেন। আমরা তিন কোটি টিকা চেয়েছিলাম। ওরা কমিয়ে দিয়েছে। বলেছিলাম দেশে ৩০ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দের। শোনেননি।’

মমতা আরও বলেন, ‘দেশ এখন এক মহাসংকটের মধ্য দিয়ে চলছে। এ রাজ্যের গঙ্গায় মৃতদেহ ভেসে আসছে, গঙ্গা দূষিত হচ্ছে। আজ দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের টিকা কেড়ে নিয়ে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্র টিকার ডোজ নিয়ে একেক দিন একেক কথা বলছে। কখনো দুই সপ্তাহ, কখনো চার সপ্তাহ, আবার কখনো চার মাস। এভাবে এটা হতে পারে না।’

মোদি সরকারকে সুস্পষ্ট কথা বলার আহ্বান জানিয়ে মমতা বলেন, ‘দেশবাসীকে জানাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন? আজকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ভার্চ্যুয়াল বৈঠক ফ্লপ করেছে।’

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন