বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভবানীপুরে জয়ের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহনমন্ত্রী ও কলকাতা করপোরেশনের মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, কম করে হলেও ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতবেন মমতা। ভবানীপুর আসনের মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ৪৫৬।

এদিকে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াংকা টিবরেওয়াল বলেন, ‘ফলাফল যা–ই হোক না কেন, আমিই উইনার। জয় নিয়ে আমি এখনো আশাবাদী।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবানীপুর আসনে মমতা অঘটন ঘটাবেন বলেছেন। এটা এত সহজ নয়। তাই বলছি, নন্দীগ্রাম আসনের মতো মমতা এবার ভবানীপুরে হেরে গেলে অবাক হওয়ার কারণ থাকবে না।’

গত বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে জয়ী হয়েছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পরে তিনি পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতাকে ভবানীপুর থেকে জেতানোর লক্ষ্যেই শোভনদেব পদত্যাগ করেন। কারণ, গত বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসন থেকে হারেন মমতা। এরপরও ভারতীয় সংবিধান মেনে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসিয়েছিল তৃণমূল। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখতে বিধানসভা নির্বাচনের হারের ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসনে জিতে আসতে হবে।

এর আগে ভবানীপুর আসনে ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৬ সালে এই আসনে মমতা জিতেছিলেন ২৫ হাজার ৩৪১ ভোটের ব্যবধানে। আর ২০১১ সালে ভবানীপুরে মমতা জয় পান ৫৪ হাজার ২১৩ ভোটের ব্যবধানে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন