বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মমতা আরও বলেন, ‘অনেকে ভাবছেন দিদি এমনিতেই জিতে যাবে। কিন্তু প্রতিটি ভোটই দামি। একটা ভোট না দিলে আমার ক্ষতি হয়ে যাবে। ভোট না দিলে আমাকে আপনারা পাবেন না। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অপরিবর্তিত রাখতে আপনারা এবারও আমাকে ভোট দিন। আমি না জিতলে অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী রাখতে ভোট দিন। আমার কাছে সব ভোটই দামি।’

মমতা আরও বলেন, ‘আমি কখনো দেশে তালেবান শাসন মেনে নেব না। দেশে সকলে থাকবে। সবার দেশ এটি। আমি দেশকে টুকরো হতে দেব না। রাজ্যকে টুকরো করতে দেব না। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ ছড়াতে দেব না। তাই আবার বলছি, দাঙ্গাবাজদের রুখতে সাহায্য করুন আমাকে। আমি কথা দিচ্ছি এই বাংলায় দাঙ্গাবাজদের ঠাঁই দেব না, দেশে তালেবান শাসন মানব না। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।’

বক্তব্যে মমতা বলেন, বাংলার খেলায় আমরা জিতেছি। এবার খেলা হবে ত্রিপুরায়। খেলা হবে আসাম, গোয়া ও উত্তর প্রদেশেও। আগামী বছর উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখন্ড, গোয়া, মণিপুর ও পাঞ্জাবের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। আর ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন ২০২৩ সালে। তাই তিনি জোর দিয়ে বলেন, ওই সব রাজ্যেও খেলা হবে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের খেলা হবে। প্রচারে প্রচুর সাড়া পেয়ে অনুপ্রাণিত মমতা এবার নির্বাচনে জেতার লক্ষ্যে ত্রিপুরা, গোয়া ও উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার জন্য খেলা হবে ডাক দিলেন।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে প্রার্থী হয়ে লড়েন। সেই আসনে তিনি ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে পরাজিত হন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। কিন্তু ভারতের সংবিধান মেনে তৃণমূল কংগ্রেস মমতাকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসায় গত ৫ মে।

সাংবিধানিক বিধি হলো ছয় মাসের মধ্যে মমতাকে রাজ্যের যেকোনো একটি বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হবে। এই লক্ষ্যে এই ভবানীপুর আসনের এবারের তৃণমূলের জয়ী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনে উপনির্বাচন হবে ৩০ সেপ্টেম্বর। এই আসনেই ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি আবার দাঁড়ালেন এই ভবানীপুর আসনে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন