বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশেও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি করা অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনার এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রথমে চার সপ্তাহের মাথায় দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা বলা হলেও পরে সময় বাড়িয়ে আট সপ্তাহ করা হয়েছিল।

তবে চুক্তি অনুযায়ী সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা না আসায় বাংলাদেশে কয়েক লাখ মানুষের নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। টিকার সংকট রয়েছে ভারতেও।

তাই দ্বিতীয় ডোজের সময় বৃদ্ধির এই ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। দেশটির রাজ্যসভার সদস্য কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ এক টুইটে লিখেছেন, ‘প্রথমে দ্বিতীয় ডোজের জন্য ছিল চার সপ্তাহ। তারপর করা হল ছয় থেকে আট সপ্তাহ। আর এখন আমাদের বলা হলো ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। এটা কি টিকার পর্যাপ্ত মজুত নেই বলে, নাকি বিজ্ঞানভিত্তিক পরামর্শ এমন? মোদি সরকারের কাছ থেকে আমরা কি কিছুটা স্বচ্ছতা আশা করতে পারি?’

দ্বিতীয় ডোজের সময় বৃদ্ধি নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, বাস্তবভিত্তিক তথ্য–প্রমাণ, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য থেকে যেসব তথ্য–প্রমাণ এসেছে, তার ভিত্তিতে কোভিড–১৯ ওয়ার্কিং গ্রুপ কোভিশিল্ডের দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করতে সম্মত হয়েছে।

ভারতে কোভিশিল্ডের পাশাপাশি নিজেদের উদ্ভাবিত টিকা কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। ছয় থেকে আট সপ্তাহের ব্যবধানে এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হচ্ছে। এটার দ্বিতীয় ডোজের সময়ের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।

এনডিটিভি বলছে, গত ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মেডিকেল সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে টিকার দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান ১২ সপ্তাহ বা তার বেশি করা হলে কার্যকারিতা বাড়ে বলে দাবি করা হয়েছিল।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন