বিজ্ঞাপন


করোনাভাইরাসের সার্বক্ষণিক তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুসারে, ভারতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছেন ২ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ। সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৯৭ লাখের বেশি মানুষ। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে মোট আক্রান্ত মানুষের মধ্যে এখনো ১৫ শতাংশের বেশি অসুস্থ। তবে করোনায় সংক্রমিত সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, কেরালা ও তামিলনাড়ু রাজ্যে। এই রাজ্যগুলোয় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো ৮২ শতাংশ অসুস্থ।

ভারতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ হলো বেশ কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশে সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। ভারতের পর রয়েছে ব্রাজিল। সম্প্রতি সংক্রমণের দিক দিয়ে ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে ভারত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে, তার ৯৫ শতাংশই ভারতে। যতজন করোনায় মারা গেছেন, তার ৯৩ শতাংশ এই দেশে। বিশ্বের মোট সংক্রমণের ৫০ শতাংশই ভারতে। মৃত্যুর হিসাবে তা ৩০ শতাংশ।

কিন্তু এর বিপরীতে করোনার টিকা প্রয়োগের হার কম। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত আড়াই শতাংশ নাগরিককে টিকা দিতে পেছে দেশটি। এ ছাড়া ইতিমধ্যে দেশটিতে করোনার টিকা সংকট দেখা দিয়েছে। কর্ণাটক জানিয়েছে, তারা আপাতত ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের টিকা কার্যক্রম বন্ধ করবে। কারণ, টিকার সংকট। দ্রুত টিকা চেয়েছে তেলেঙ্গানা।

এদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, এমন আশঙ্কার কথা বিজ্ঞানীরা আগে জানালেও তাতে গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। ভারতের করোনা সংকটের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় তুলেছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যানসেট। কোনো রকম রাখঢাক না রেখেই গত শনিবার এই জার্নালের সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির সরকারই দেশে কোভিড বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন