বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিএএ পাস হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। কোনো আইন পাস হলে ছয় মাসের মধ্যে তা কার্যকর করার জন্য বিধি তৈরি করে লোকসভার কমিটি অন সাব-অর্ডিনেট লেজিসলেশনের কাছে নিয়ে যেতে হয়। কমিটি বিধি অনুমোদন করলে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক বিভাগ ও রাজ্য সরকারকে আইন কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, ‘রুল ফ্রেমিং’-এর জন্য আরও সময় প্রয়োজন। ফলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের আগে ভারতে বাস্তবায়িত হচ্ছে না সিএএ।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেমন—হিন্দু, শিখ, পার্সি, জৈন, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে যাঁরা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁরা ‘বেআইনি অভিবাসী’ হিসেবে চিহ্নিত হবেন না।

আইনটিতে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২০ সালের গোড়ার দিকে ভারতজুড়ে সিএএ-বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। পরে দিল্লিতে বড় ধরনের দাঙ্গাও হয়। দাঙ্গায় ৫০ জনের বেশি মারা যান। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।

এদিকে আইনটি কার্যকর করতে দেরি হওয়ায় চটেছে পশ্চিমবঙ্গের নমশূদ্র ও মতুয়া সম্প্রদায়। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন ও ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ সম্প্রদায়কে বলা হয়েছিল আইনটি কার্যকর করে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

এবারও আইনটি কার্যকর হওয়া পেছানোয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সাংসদ ও বিধায়কেরা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। অনেকে দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখনো কেউ দল ছাড়েননি।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন