বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসের পর শনিবার দিল্লিতে করোনাভাইরাস শনাক্তে নতুন রেকর্ড হয়েছে। এদিন শনাক্ত ৫০ শতাংশ বেড়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭১৬ জন। শনাক্তের হার প্রায় ৩ দশমিক ৬৪। এ সময় করোনায় সংক্রমিত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২১ মে দিল্লিতে এক দিনে তিন হাজার মানুষের করোনা শনাক্ত হয়।

দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন শনিবার বলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে সেখানে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা দরকার কি না, সেটি পর্যালোচনা করা হবে। তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এখনো উদ্বেগজনক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৫০ জন রোগী। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৯৫০ জনকে পাওয়া গেছে রাজ্যের রাজধানী কলকাতায়। রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত অমিক্রনে আক্রান্ত ১৬ জন রোগী পাওয়া গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে কলকাতার ১৭টি আবাসিক এলাকাকে ‘মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে কলকাতা পৌর করপোরেশন । যে এলাকায় পাঁচজনের বেশি বাসিন্দার মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে, সেসব এলাকা এই জোনের আওতাভুক্ত। করোনা সংক্রমণ রোধে এসব এলাকার বাসিন্দাদের নিজ নিজ এলাকা ছেড়ে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক অজয় চক্রবর্তী বলেছেন, সংক্রমণ বাড়লে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাঁরা।

গত বছর করোনার ভয়াবহ কবলে পড়েছিল ভারত। ডেলটা ধরনের কারণে সংক্রমণের সর্বোচ্চ সময় দেশটিতে দৈনিক প্রায় ৪ লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছিল। তবে এর পর থেকে নতুন রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ১০ হাজারের অনেক নিচে নেমে গিয়েছিল। গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় অমিক্রন ধরন হওয়ার পরে ভারতেও করোনার নতুন এ ধরন শনাক্ত হয়। এর পর থেকেই সেখানে করোনায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন