বিজ্ঞাপন

মধ্যপ্রদেশের আগে মহারাষ্ট্র ও বিহার রাজ্যও তাদের করোনার মৃত্যুর পরিসংখ্যানে সংশোধনী এনেছিল। তখনো দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল।

ভারতে টানা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দৈনিক ৩ শতাংশের নিচে করোনা শনাক্ত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়।

ভারতে করোনা থেকে রোগীদের সেরে ওঠার হার বাড়ছে। এই হার এখন ৯৭ শতাংশের বেশি।

ভারতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৬ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ১০৮ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে টিকা দিতে চায় ভারত।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটা স্তিমিত হয়ে এলেও ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সবশেষ গতকাল সোমবার ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সতর্ক করে বলে, ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য ও আসন্ন।

গত মার্চের মাঝামাঝিতে ভারতে এক দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের কাছাকাছি। তারপর দেশটিতে সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ে। গত ৭ মে ভারতে এক দিনে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ১৪ হাজারের বেশি রোগী শনাক্তের তথ্য জানানো হয়।

গত ৪ এপ্রিল ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই কোটির মাইলফলক ছাড়ায়। ২৩ জুন ছাড়ায় তিন কোটির মাইলফলক। গত ২৩ মে করোনায় মৃত্যু তিন লাখের মাইলফলক ছাড়ায়। আর ২ জুলাই মৃত্যু চার লাখের মাইলফলক ছাড়ায়।

বিশ্বের কোনো দেশে এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা রোগী শনাক্তের রেকর্ড ভারতের দখলে। গত ২২ এপ্রিলের আগপর্যন্ত এ রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রের দখলে ছিল।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত। ভারতের পর ব্রাজিল। আর মৃত্যুর দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সবার ওপরে। ব্রাজিল দ্বিতীয়। ভারত তৃতীয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন