গুজরাটে সংঘর্ষ বাধে প্রধানত আনন্দ ও সবরকাঁথা জেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গতকাল সন্ধ্যায় রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। স্থানীয় পুলিশ বলছে, সংঘর্ষের শুরু দুই পক্ষ ইট-ছোড়াছুড়ি করে। একপর্যায়ে তারা বেশ কিছু স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয়। সন্ধ্যায় আনন্দ শহরের সংঘর্ষের এলাকা থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।

মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয় গানবাজানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর খরগন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। পরে তিন এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়।

গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষ বাধে হাওড়া জেলার শিবপুরে। সেখানেও রামনবমীর ধর্মীয় শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অভিযোগ, মিছিলে বহু লোকের হাতে অস্ত্র ছিল। অবস্থা নিয়ন্ত্রণে সেখানে কারফিউ জারি করেছে প্রশাসন। পশ্চিমবঙ্গে বহু জেলায় রামনবমীর সশস্ত্র মিছিল দেখা গেছে। পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ঝাড়খন্ড জেলার লোহারগড়ে রোববার রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

দিল্লিতে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত ছাত্রসংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সমর্থকেরা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রামনবমী উপলক্ষে এক যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য ছাত্রাবাসে নিরামিষ খাবার পরিবেশনে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

বিজেপির ছাত্রসংগঠন বলছে, বামপন্থী ছাত্রসংগঠন যজ্ঞের বিরোধিতা করে। সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।