বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানী দিল্লি ও বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইসহ দেশটির বড় শহরগুলোতে সম্প্রতি করোনা শনাক্ত লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে করোনার আরও বেশি সংক্রামক ধরন অমিক্রনে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। অমিক্রন ধরনের প্রকোপে বিশ্বের অন্যান্য অংশে অনেক দেশে নতুন করে করোনা শনাক্তের রেকর্ড দেখা যাচ্ছে।

default-image

গত তিন দিনে দিল্লির সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা তিনগুণ হলেও মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলছেন, রোগী বাড়লেও হাসপাতালে ভর্তি তত বাড়েনি। অনলাইন ব্রিফিংয়ে কেজরিওয়াল বলেন, ‘এর মানে করোনায় আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে না। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগেরই মৃদ উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। করোনায় শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু এর জন্য চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারও আতঙ্কিত হওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।’

গত বছর করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতের অবস্থা ছিল বিপর্যস্ত। তখন দেশটিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর ছিল দিল্লি। হাসপাতালগুলোয় শয্যা আর অক্সিজেন না পেয়ে অনেকে নিশ্বাস নেওয়ার জন্য হাঁসফাঁস করতে করতে অনেককে কাতরাতে দেখা যায়। চিকিৎসা না পেয়ে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারান।

গতকাল রোববার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ৫৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হিসাবে শনাক্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৭০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

মুম্বাই শহরের স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘরে বসেই এখন হাজার হাজার মানুষ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে করোনাভাইরাস শনাক্তের কাজ করছে।
মুম্বাইয়ের নগর করপোরেশনের কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শ্রীকান্ত দেশমুখ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা দেখছি মানুষ কোভিড পজিটিভ হলে সেলফ কোয়ারেন্টিনে থাকছেন। একই সঙ্গে ঘরে তেমন জায়গা না থাকলে অনেকে সরকার পরিচালিত আইসোলেশন সেন্টার থেকে সাহায্য চাচ্ছেন।’

আজ সোমবার ভারতে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের কোভিডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। বিশেষ কেন্দ্র তৈরি করে স্কুলগুলোতে টিকা দেওয়া হবে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন