বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পি কে হালদারের অন্য সহযোগীদের মধ্যে আছেন প্রীতিশ কুমার হালদার, প্রাণেশ কুমার হালদারসহ আরও কয়েকজন। আজও এসব অভিযান চলছে বলে জানানো হয়। এদিন পি কে হালদারকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভারত থেকে কূটনীতিক সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, পি কে হালদারের দখল করা চারটি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রিলায়েন্স লিজিং (বর্তমান নাম আভিভা ফাইন্যান্স) থেকে তিনি ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন।

দুদক পি কে হালদারের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার মূল্যের জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটসহ অন্যান্য স্থাবর সম্পদ ক্রোক করেছে। এ ছাড়া তাঁর ও তাঁর অর্থ কেলেঙ্কারির সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৩৪টি মামলা করেছে দুদক। এসব মামলায় পি কে হালদারসহ আসামি ৮০ জন। এর মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁরা বর্তমানে জেলে।

এ অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত আলোচিত পি কে হালদারের ৮৩ সহযোগীর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জনের সম্পদের হিসাব বিবরণী চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পি কে হালদারের ৬৪ সহযোগীর বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন