default-image

পরিবারের ২০ জনেরও বেশি সদস্য নিয়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে চলা লকডাউন ভেঙে বেরিয়েছিলেন ভারতের কোটিপতি দুই ভাই কপিল ও ধীরাজ ধাওয়ান। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগে তদন্তকাজ চলছে। লকডাউন অমান্যের অপরাধের পর মহারাষ্ট্রের একটি পাহাড়ি স্টেশনের খামার বাড়িতে তাঁদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

এনডিটিভি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, ধাওয়ান পরিবারকে সাহায্য করায় পুলিশের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের ২৩ সদস্য নিয়ে কোটিপতি দুই ভাই মহারাষ্ট্র রাজ্যের মহাবলেশ্বরে নিজেদের ফার্ম হাউসে গাড়ি চালিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয় জনগণকে সতর্ক করে। পরে ওই খামারবাড়িতেই তাঁদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

স্থানীয় সময় বুধবার রাতে ধাওয়ান পরিবার পাঁচটি গাড়ি নিয়ে মুম্বাই থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে ওই খামারবাড়িতে যান। তাঁরা আইপিএস কর্মকর্তা অমিতাভ গুপ্তের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নেন। দাপ্তরিক ওই চিঠিতে লেখা ছিল জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনে তাঁরা এই সফর করছেন। আইপিএস কর্মকর্তার সই করা ওই চিঠিতে লেখা ছিল, ‘এই পরিবার আমার খুবই পরিচিত। তাঁরা খাণ্ডালা থেকে মহাবলেশ্বরে পারিবারিক জরুরি প্রয়োজনে যাচ্ছেন।’ পুলিশ বলছে, ধাওয়ান পরিবার সঙ্গে রাঁধুনি ও গৃহকর্মীদের নিয়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের সবার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

কপিল ও ধীরাজ ধাওয়ানের বিরুদ্ধে ইয়েস ব্যাংক ও দিওয়ান হাউজিং ফিন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডে (ডিএইচএফএল) জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (সিবিআই) তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। একটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, সিবিআই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। কোয়ারেন্টিন শেষ হলে দুই ভাইকে আটক করা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0