বিজ্ঞাপন

উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌ থেকে ২৭০ কিলোমিটার দূরে প্রত্যন্ত জেলাটির প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। গত এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ওই ২০ জনকে প্রথম ডোজ হিসেবে দেওয়া হয় কোভিশিল্ডের টিকা। ১৪ মে দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে দেওয়া হয় কোভ্যাক্সিনের টিকা।

সিদ্ধার্থনগরের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সন্দ্বীপ চৌধুরী বলেন, ‘এটি অবশ্যই অনিচ্ছাকৃত ভুল। কারণ, সরকারের পক্ষ থেকে মিশ্রভাবে টিকার ডোজ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা ছিল না। ফলে এটি অনিচ্ছাকৃত ভুলই। আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলাম এবং এর প্রতিবেদন পেয়েছি। এ ঘটনার জন্য যাঁরা দোষী, তাঁদের কাছে আমি ব্যাখ্যা চেয়েছি। যথাসম্ভব আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

একাধিক টিকার মিশ্র ডোজ দিলে এর প্রতিক্রিয়া কী হবে বা কেমন প্রভাব ফেলবে, সেটি এখনো বৈশ্বিকভাবে গবেষণার বিষয়। তবে ভারতীয় কর্মকর্তারা দাবি করছেন, একাধিক টিকা নেওয়া গ্রামবাসীর শরীরে মধ্যে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি।

সন্দ্বীপ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের প্রতিনিধিদল ওই ব্যক্তিদের সবার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং কথা বলেছেন। তাঁরা সবাই ভালো আছেন এবং কোনো সমস্যা হয়নি।’

তবে মিশ্র টিকা নেওয়া গ্রামবাসীর একজন রাম সুরাত সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের কেউই তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি। পরে আমি নিজেই বের করি যে দ্বিতীয় ডোজে আমাকে কোভিশিল্ডের বদলে কোভ্যাক্সিনের টিকা দেওয়া হয়েছে। এটি ভীতিকর বিষয়। আমি এখন চিন্তিত। পরবর্তী অনুসন্ধানের জন্য এখনো কেউ আমার কাছে আসেনি।’

ভারতের বড় রাজ্যগুলোর মধ্যে উত্তর প্রদেশ হচ্ছে একটি, যেখানে খুব কমসংখ্যক মানুষ টিকা পেয়েছেন। রাজ্যটিতে গত তিন মাসে ১ কোটি ৭৫ লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে। তবে দুই ডোজের টিকা পেয়েছেন মাত্র ৩৩ লাখ মানুষ। সে হিসাবে ২৩ কোটির বেশি জনসংখ্যার রাজ্যটিতে টিকা নিয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন