বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে অমিত শাহ লিখেছেন, ‘বিপুলসংখ্যক শিখ পুণ্যার্থীর কথা মাথায় রেখে বড় একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কাল (বুধবার) থেকে কর্তারপুর সাহিব করিডর আবার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
ভারত সরকারের এ সিদ্ধান্ত দেশটির মানুষের আনন্দ-উচ্ছ্বাস বাড়িয়ে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন অমিত শাহ।

৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডর এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রাখার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করেছিল ভারত।
এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতির কারণে ভারত থেকে ভ্রমণের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করে পাকিস্তান। এই বিধিনিষেধ জারির পর ২০২০ সালের মার্চে বন্ধ হয়ে যায় কর্তারপুর করিডর। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে চলতি বছরের ২৭ জুন থেকে এই করিডর আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ তখন জানায়, তারা ৩ অক্টোবর এই করিডর খুলে দেবে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সাড়া দেওয়া হচ্ছিল না। অবশেষে গতকাল করিডর খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিল ভারত।

তবে পাকিস্তানের এক কর্মকর্তার ভাষ্য, তাঁদের পক্ষ থেকে করিডরটি কখনো বন্ধ রাখা হয়নি। বরং শিখ পুণ্যার্থীরা যাতে এই করিডর ব্যবহার করে পাকিস্তানে প্রবেশ করতে পারেন, সে জন্য তাঁরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় ছিলেন।
দেশভাগের পর বেশির ভাগ শিখ ধর্মাবলম্বী পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে যান। তবে ২০ হাজারের মতো শিখ ধর্মাবলম্বী পাকিস্তানে থেকে যান।

দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সম্পর্কের জেরে দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানের ভেতরে অবস্থিত গুরুদুয়ারা উপাসনালয়ে যাওয়ার সুযোগ পাননি ভারতীয় শিখরা। ২০১৯ সালে কর্তারপুর করিডর চালু হলে এ সুযোগ তৈরি হয়।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন