জি নিউজের উপস্থাপক রোহিত রঞ্জনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে ছত্তিশগড় পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার ভোরে দিল্লির লাগোয়া উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে তাঁর বাসভবনে পৌঁছায়। তাঁকে ভিন্ন রাজ্যের পুলিশের গ্রেপ্তার করতে আসার খবর ওই সাংবাদিক গাজিয়াবাদ পুলিশকে জানিয়ে দেন। এ ছাড়া তিনি টুইট করেও জানতে চান, এভাবে স্থানীয় পুলিশকে না জানিয়ে গ্রেপ্তার করা কেমন আইন? এরপর শুরু হয় ছত্তিশগড় ও উত্তর প্রদেশের পুলিশের বাদানুবাদ। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের পুলিশের দাবি, তাদের না জানিয়ে অন্য প্রদেশের পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে না। ছত্তিশগড়ের পুলিশের দাবি, জানানোর কোনো প্রয়োজনই নেই। কারণ, তাদের কাছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এই বাদানুবাদের মধ্যে উত্তর প্রদেশের পুলিশ জোর করে রোহিতকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, জি নিউজের ওই টিভি উপস্থাপকের বিরুদ্ধে লঘু ধারায় জামিনযোগ্য মামলা করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুর থেকে আসা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে আইনের সাহায্য নেবে কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত নয়।

ওয়েনাডের ঘটনায় রাহুলের মন্তব্যসহ ওই ভিডিও শেয়ার করেছিলেন বিজেপির নেতা রাজ্যবর্ধন রাঠোরও। অভিযোগ করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধেও।

সামাজিক মাধ্যমের সাহায্যে এ ধরনের ভুয়া খবর সর্বত্র ছড়িয়েও দেওয়া হচ্ছে। শাসকদল বিজেপির মিডিয়া সেল এ কারণে নানা রকম সমালোচনার মধ্যেও পড়ছে। জি নিউজের মালিক সুভাষ চন্দ্র বিজেপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি বিজেপির সমর্থনে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে হারেন। জি নিউজ জানিয়েছে, রাহুলের বক্তব্য ভুলভাবে ব্যবহার করায় চ্যানেলের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছিল।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন