এর আগে কর্নাটকে এবং মধ্য প্রদেশে বিদ্রোহ করিয়ে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। এবার মহরাষ্ট্রে এমনটাই ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

উদ্ধব ঠাকরে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এভাবে আসলে বিক্ষুব্ধদের একটা বার্তা দিতে চাইছেন তিনি। বুঝিয়ে দিতে চাইছেন, বালসাহেব ঠাকরের ব্যাটন তাঁর হাতেই। ছেলে হিসেবে তাঁর নীতি মেনে চলার দায়িত্বও নিজের কাঁধেই তুলে নিতে চান।

আজই সকালে আসাম পৌঁছান শিবসেনার আরও কয়েক বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরোধিতাকারী একনাথ শিন্ডের দল ক্রমেই ভারী হচ্ছে। এতে সংকটে পড়তে যাচ্ছে মহাবিকাশ অঘাড়ি সরকার। ওই তিন বিধায়কের কারণে উদ্ধব ঠাকরের সমর্থনে থাকা বিধায়কদের সংখ্যা আরও কমল। পাশাপাশি আরও শক্তিশালী হল শিন্ডের পক্ষ।

বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কদের নেতৃত্বে থাকা একনাথ শিন্ডের দাবি, শিবসেনার ৫৫ জন বিধায়কের মধ্যে ৪২ জনের সমর্থন আছে তাঁর দিকে। আর মাত্র একজনের সমর্থন পেলেই সরকার গঠনের মতো অবস্থায় যাবেন তাঁরা। বিজেপির ১০৫ বিধায়ক ও শিন্ডের ৪২ হলে সরকার গঠন সম্ভব।

বিজেপিকে সমর্থন করতে পারেন শিন্ডে

বিজেপির কাছে বর্তমানে ১০৫ জন বিধায়ক আছে। ২৮৭ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ১৪৫ আসন। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে বর্তমানে অন্তত ৪২ জন বিধায়ক আছেন। এর মধ্যে শিবসেনার ৩৪ জন আছেন।

মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বর্তমানে বিজেপির ১০৫, শিবসেনা ৫৬, ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি (এসসিপি) ৫৪, কংগ্রেস ৪৪ আসন আছে। বাকিরা অন্য দল ও স্বতন্ত্র সদস্য। এখন সেখানে শিবসেনা, এসসিপি ও কংগ্রেসের জোট সরকার রয়েছে।

একনাথ শিন্ডেকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বিজেপি। আড়াই বছর আগে এই একই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এনসিপির অজিত পাওয়ারকেও। নতুন সরকার গঠন হলে শিন্ডের পক্ষকে ৯টি মন্ত্রণালয় দিতে পারে বিজেপি। আগেরবার অজিত পাওয়ারকেও এই একই সংখ্যক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস, এনডিটিভি

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন