বিশ্বশর্মা বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি পাকিস্তানের বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্ব ভারতের অনেকেই লড়াই করেছেন। কিন্তু এদের কথা খুব একটা শোনা যায় না। তাই বিষয়টিকে জনসমক্ষে আনা দরকার। কাদের সম্মান জানানো হবে এবং তাঁরা কি করেছিলেন, সে সম্পর্কে অবশ্য এখনো কিছু জানানো হয়নি।

২০২১ সালে নির্বাচনে জিতে আসার আগে এবং পরে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বারবারই আসামে বসবাসকারী বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের সম্পর্কে কটূক্তি করেছেন। তারপরে আসাম সরকারের এ আয়োজন সেখানকার বাঙালি মুসলমান সমাজের অনেককেই বিস্মিত করেছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন