বিজ্ঞাপন

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মুম্বাই, থানে, রায়গড়, সিন্ধুদুর্গ, পালঘর সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মুম্বাইয়ে ‘জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের’ (এনডিআরএফ) তিনটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। পাঁচটি অস্থায়ী আশ্রয় নির্মাণ করা হয়েছে। দাদর, ওয়ার্লি, মাতুংগা, মাহিম, লোয়ার পারেল, থানেসহ বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মহারাষ্ট্র সরকার আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিল। বোম্বে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ‘ফিল্ড কোভিড সেন্টার’–এর করোনা রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে। রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই রাজ্যের তিনটি জেলার উপকূলবর্তী অঞ্চলের ৬ হাজার ৫০০ জনকে সুরক্ষিত স্থানে রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরির উপকূলবর্তী অঞ্চলের ৪০টি বাড়ির প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনটি বিদ্যালয় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুনের নিকটবর্তী অঞ্চলের ৭০টি বাড়ির প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় গতকাল রোববার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা করেছিলেন। ওই সময় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎসেবা যাতে ব্যাহত না হয়, তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত অক্সিজেন মজুত রাখা হয়েছে। যেসব জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের দাপট প্রবল হতে পারে, সেসব জেলায় ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত অক্সিজেনের ব্যাকআপ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যে ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রাখা হয়েছে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন