বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১১ এপ্রিল শাহবাজ শরিফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ওই দিনই তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেন মোদি। টুইট করে মোদি বলেন, এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায় ভারত। মোদিকে লেখা চিঠিতে শাহবাজও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক’ চায় পাকিস্তান, কাশ্মীর বিরোধ সমাধানের জন্য যা অপরিহার্য। এর পর থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের উন্নতির আশায় বুক বেঁধেছে রাজনৈতিক মহলগুলো। এমন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে, জুলাই মাসেই উজবেকিস্তানের তাসখন্দে বৈঠক করতে পারেন মোদি-শরিফ।

এ বছরের ১৭ জুলাই উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাংহাই করপোরেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠক আছে। সেখানে যোগ দিতে যাবেন দেশ দুটির প্রধানমন্ত্রীরা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেই সম্মেলনের ফাঁকে নরেন্দ্র মোদি ও শাহবাজ শরিফ আলাদাভাবে কথা বলতে পারেন। এ নিয়ে নাকি দুই দেশের মধ্যে তৎপরতাও শুরু হয়ে গেছে। সেই বৈঠক হলে পাকিস্তান কাটাস রাজমন্দিরে যেতে পারেন মোদি। সেখান থেকে শরিফ তাঁকে ইসলামাবাদ নিয়ে যেতে পারেন বলেও সূত্রগুলো দাবি করছে। তবে এ নিয়ে দুই দেশ এখনো কিছু জানায়নি।

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে নানা উতোর-চাপান চলে। এ নিয়ে সমস্যার কারণে সীমান্তে চলে উত্তেজনা। কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে আলাপ-আলোচনা, বৈঠক, মধ্যস্থতা—অনেক কিছুই হয়েছে। কিন্তু সমাধান আর হয় না। তবে সমাধানের চেষ্টা চলে। শান্তিপ্রতিষ্ঠার নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাজ খুব একটা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পরই কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের পক্ষে কথা বলেছেন শাহবাজ শরিফ। আর এরপর কূটনৈতিক মহল ধারণা করছে, এবার সীমান্ত সমস্যা সমাধানের সূত্র খোঁজা হতে পারে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন