সোমবার রাতে যোধপুরের জালোরি গেট এলাকায় সংঘর্ষ শুরুর পর কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।

মঙ্গলবারও যোধপুরের নানা এলাকায় পাথর ছোড়া ও সংঘর্ষের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে আবার কঠোর হয় পুলিশ। সংঘর্ষের স্থানগুলোতে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় পুলিশ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে, যোধপুরের উদয় মন্দির, নগরী গেট, খান্ডা ফালসা, প্রতাপ নগর, দেব নগর, সুর সাগর ও সরদারপুরা থানা এলাকায় আগামীকাল মধ্যরাত পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। গুজব রুখতে বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট। পুলিশের পাহারায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে সংঘর্ষ এড়িয়ে শান্তি বজায় রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘যোধপুর ও মারওয়ারের ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান রেখে আমি সব পক্ষকে শান্তি বজায় রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে আহ্বান জানাচ্ছি।’

এর আগে গত কয়েক সপ্তাহে রমজান মাস এবং রামনবমী ও হনুমানজয়ন্তী উৎসব ঘিরে ভারতের দিল্লি, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খন্ড ও পশ্চিমবঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন