বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগামী দুই মাস উৎপাদিত টিকার অর্ধেক (৫০ শতাংশ) ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হবে। বাকি অর্ধেক পাবে রাজ্য সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো।

তবে বাড়তি চাহিদার কারণে এখনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আলাদা আলাদা করে টিকা বিক্রি কষ্টকর হবে বলে জানিয়েছে সেরাম। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে সরকারি পদ্ধতির আওতায় টিকা কিনতে আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খোলা বাজারে টিকার খুচরা বিক্রি শুরু করতে আরও ৪ থেকে ৫ মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশসহ এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় সেরামের উৎপাদিত কোভিশিল্ড টিকার ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাউন্নয়নশীল দেশগুলোকে দেওয়ার জন্য ‘কোভ্যাক্স’ কর্মসূচির আওতায় ২০ কোটি ডোজ কোভিশিল্ড নেবে সেরামের কাছ থেকে। সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশে দেশে বাড়ছে টিকার চাহিদা। ফলে সেরামের ওপর বাড়তি টিকা উৎপাদনের চাপ রয়েছে।

টিকার উৎপাদন বাড়ানোর পথে অর্থসংকটের চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনেওয়ালা। এ জন্য তিনি ভারত সরকারের কাছে তিন হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন।

একই সঙ্গে টিকা উৎপাদনে বিদ্যমান কাঁচামাল সংকটের কথাও জানিয়েছেন তিনি। এ সংকট নিরসনে আদর পুনেওয়ালা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ট্যাগ করে করা টুইটে টিকার কাঁচামাল রপ্তানিতে বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন